দ্য ভয়েস অব আফ্রিকা
নামেই যার চরিত্রের প্রমাণ, তার নাগ ঈগল। প্রাচীনকাল থেকেই মানুষের আশেপাশে ঈগলের বসবাস। আর তাইতো বিভিন্ন প্রাচীন সাহিত্য থেকে শুরু করে গুপ্ত পুথিতে পর্যন্ত ঈগলের কথা জানা যায়। আজ আমরা যে ঈগলের বর্ননা করছি তার নাম আফ্রিকান ফিস ঈগল। নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে চরিত্রের দিক দিয়ে আমাদের এই ঈগল কেমন হতে পারে। সাব সাহারার আফ্রিকার সেনেগাল, গাম্বিয়া, ইথিউপিয়া, সুদান, কেনিয়া এবং উগান্ডায় এদের দেখতে পাওয়া যায় হরহামেশা।
মৎসশিকারী হিসেবে পরিচিত ফিস ঈগলেরা মূলত লেক, নদী অথবা জলাশয়ের আশেপাশেই বাস করে। এখনও কেনিয়ার লেক ভিক্টোরিয়া অথবা রিফ্ট ভ্যালিতে গেলেই দেখা মিলবে এদের। এক জোড়া পূর্ণবয়স্ক ঈগলের অন্তত এক বর্গমাইল এলাকা দরকার হয় খাবার সন্ধানের জন্য। যদি একটা ছোটো নদীর ধারে কোনো জোড়া ঈগল থাকে, তাহলে বুঝতে হবে আশেপাশের ১৫ মাইলের মধ্যে পানির কোনো উৎস রয়েছে। দিনের অধিকাংশ সময়ই এরা বিশাল কোনো গাছের শাখায় বসে পানি পর্যবেক্ষন করতে থাকে।
শিকারের ক্ষেত্রে এরা খুবই দুর্ধর্ষ। পানির উপর থেকে পর্যবেক্ষণ করে মাছ শিকার করা এদের কাছে স্বাভাবিক ব্যাপার। যদি ভাগ্য ভালো হয়, তবে দশ মিনিটের মধ্যে দুইটি মাছ শিকার করে সারাদিনের জন্য খুশি হয়ে যায় সে। তবে যেদিন মাছ পাওয়া যায় না, সেদিন পেলিক্যান, হাস, সারস পাখি ছাড়াও অন্যান্য ছোটো প্রাণীরা এর শিকারের বস্তু হয়। মজার বিষয় হলো ফিস ঈগলেরা মাছ খাবার আগে সেই মাছের আশ ফেলে নেয় এবং কোনো পাখি হলে সেই পাখির পালক ছাড়িয়ে নেয়। খাবার পাকস্থলীতে যাবার পর গলার কাছের একটা ছোটো মাংসের থলেতে প্রায় ২ পাউন্ডের মতো খাবার সংরক্ষন করে রাখতে পারে ফিস ঈগল। যখন একটু অধিক পরিমানে খাবার পাওয়া যায়, তখনই ঈগলেরা এই খাবার সংরক্ষন করে, যাতে পরবর্তীতে খাবার পাওয়া না গেলে ওই খাবার খাওয়া যায়।
মৎসশিকারী হিসেবে পরিচিত ফিস ঈগলেরা মূলত লেক, নদী অথবা জলাশয়ের আশেপাশেই বাস করে। এখনও কেনিয়ার লেক ভিক্টোরিয়া অথবা রিফ্ট ভ্যালিতে গেলেই দেখা মিলবে এদের। এক জোড়া পূর্ণবয়স্ক ঈগলের অন্তত এক বর্গমাইল এলাকা দরকার হয় খাবার সন্ধানের জন্য। যদি একটা ছোটো নদীর ধারে কোনো জোড়া ঈগল থাকে, তাহলে বুঝতে হবে আশেপাশের ১৫ মাইলের মধ্যে পানির কোনো উৎস রয়েছে। দিনের অধিকাংশ সময়ই এরা বিশাল কোনো গাছের শাখায় বসে পানি পর্যবেক্ষন করতে থাকে।
শিকারের ক্ষেত্রে এরা খুবই দুর্ধর্ষ। পানির উপর থেকে পর্যবেক্ষণ করে মাছ শিকার করা এদের কাছে স্বাভাবিক ব্যাপার। যদি ভাগ্য ভালো হয়, তবে দশ মিনিটের মধ্যে দুইটি মাছ শিকার করে সারাদিনের জন্য খুশি হয়ে যায় সে। তবে যেদিন মাছ পাওয়া যায় না, সেদিন পেলিক্যান, হাস, সারস পাখি ছাড়াও অন্যান্য ছোটো প্রাণীরা এর শিকারের বস্তু হয়। মজার বিষয় হলো ফিস ঈগলেরা মাছ খাবার আগে সেই মাছের আশ ফেলে নেয় এবং কোনো পাখি হলে সেই পাখির পালক ছাড়িয়ে নেয়। খাবার পাকস্থলীতে যাবার পর গলার কাছের একটা ছোটো মাংসের থলেতে প্রায় ২ পাউন্ডের মতো খাবার সংরক্ষন করে রাখতে পারে ফিস ঈগল। যখন একটু অধিক পরিমানে খাবার পাওয়া যায়, তখনই ঈগলেরা এই খাবার সংরক্ষন করে, যাতে পরবর্তীতে খাবার পাওয়া না গেলে ওই খাবার খাওয়া যায়।
প্রজননের সময় ঈগলের দেখা পাওয়া কম সৌভাগ্যের কথা না। অন্যান্য ঈগলের মতো ফিস ঈগলদের প্রজননের ক্ষেত্রেও আছে বিশেষ নিয়ম রীতি। জোড়া ঈগল তীব্র স্বরে ডাকাডাকি করতে থাকে এবং পাখা দিয়ে ঘূর্ণায়মান অবস্থায় নিজেদের সর্বোচ্চ পারদর্শীতা প্রদর্শন করতে থাকে একে অপরের উদ্দেশ্যে। যতক্ষন পর্যন্ত না একে অপরকে সন্তুষ্ট করতে না পারছে ততক্ষণ পর্যন্ত সন্তান উৎপাদনে যাবে না তারা। এমনও হয় অনেক সময়, অনেক ঈগল ঘূর্ণায়মান অবস্থায় মাটিতে পড়ে মারা যায়। ঈগলেরা সচরাচর একই সঙ্গীর সঙ্গে জীবন কাটিয়ে দেয়। খুব সুন্দর করে উচু গাছের শাখায় বাসা বানায় তারা বছরের পর বছর ধরে। প্রতি বছরই তারা নতুন নতুন জিনিস দিয়ে বাসা সাজায়।
ভোরের ঠিক আগে ফিস ঈগলেরা সংগীত করতে শুরু করে, যা গোটা আফ্রিকা জুড়ে পরিচিত। মূলত সূর্যোদয়ের ৪০ মিনিট আগে গোটা সাব সাহারার অঞ্চলে এমন বহু ঈগলের গান শুনতে পাওয়া যায়। একে অবশ্য পক্ষীবিশারদরা বলতে চান ঈগলের সীমানা চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া হিসেবে। আবার ঈগল যখন তার যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী খুঁজে পায় তখনও সে সংগীত করে। গান গাওয়ার সময় সাধারণত ফিস ঈগল তার মাথাকে পেছনের দিকে নিয়ে যায়। আবার প্রিয় সঙ্গীকে ডাকার জন্যও দিনের যেকোনো সময় গান গাইতে পারে ফিস ঈগল। প্রজনন মৌসুম শেষ হওয়ার পর স্বাভাবিক ভাবেই ঈগল জোড়া একসঙ্গে বসাবস করতে শুরু করে।
ভোরের ঠিক আগে ফিস ঈগলেরা সংগীত করতে শুরু করে, যা গোটা আফ্রিকা জুড়ে পরিচিত। মূলত সূর্যোদয়ের ৪০ মিনিট আগে গোটা সাব সাহারার অঞ্চলে এমন বহু ঈগলের গান শুনতে পাওয়া যায়। একে অবশ্য পক্ষীবিশারদরা বলতে চান ঈগলের সীমানা চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া হিসেবে। আবার ঈগল যখন তার যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী খুঁজে পায় তখনও সে সংগীত করে। গান গাওয়ার সময় সাধারণত ফিস ঈগল তার মাথাকে পেছনের দিকে নিয়ে যায়। আবার প্রিয় সঙ্গীকে ডাকার জন্যও দিনের যেকোনো সময় গান গাইতে পারে ফিস ঈগল। প্রজনন মৌসুম শেষ হওয়ার পর স্বাভাবিক ভাবেই ঈগল জোড়া একসঙ্গে বসাবস করতে শুরু করে।

এদের মাথার খুলি বেশ হালকা হলেও চোয়াল এবং চোখের কোটর বেশ সুদৃঢ়। লড়াই করার কাজে চোয়াল ও শক্ত ঠোট ব্যবহার করে ঈগল। ধারালো ঠোট দিয়ে শিকারকে টুকরো টুকরো করতে জুরি নেই এদের। তবে ফিস ঈগলের পায়ের শক্তি বেশ জোড়ালো, এই দুই পা দিয়ে পিচ্ছিল মাছকে খুব সহজে ধরা থেকে শুরু করে আছড়ে মেরেও ফেলে ঈগল। পুরুষ ঈগলের ওজন সাধারণত ৪ থেকে ৬ পাউন্ড এবং নারী ঈগলের ওজন ৭ থেকে ৯ পাউন্ড পর্যন্ত হয়ে থাকে। প্রতিজোড়া পূর্ণবয়স্ক মোট ১৫ বছর বয়স বাঁচে, যদিও এই সময়ের মধ্যে মাত্র চার বছর তারা প্রজননক্ষম থাকে। প্রতিবার প্রজননের সময় ১ থেকে ৩টির অধিক ডিম দেয় না এরা।
আপনি জানেন কি, অফ্রিকার ফিস ঈগলের কণ্ঠস্বর এতটাই জোড়ালো যে, এই পাখিকে ভয়েস অব আফ্রিকা বলা হয়। যিশু খ্রিস্টের মৃত্যু পরবর্তীতে ম্যাসনারি নামে একটি গুপ্ত সংগঠন তৈরি হয়, বলা হয়ে থাকে, সেই সংগঠন এখনো গোপনে কাজ করে। সেই গোপন সংগঠনটির চিহ্নের মধ্যেও আছে ফিস ঈগলের ছবি।
ওয়াইল্ডডিজনি




Comments
Post a Comment